ক্যারিয়ার টিপস (Career Tips): যা আপনাকে ভবিষ্যতে চাকরি পেতে সহায়তা করবে।

0
92
আমরা সবাই বর্তমানে থাকা অবস্থায় ভবিষ্যত নিয়ে ভাবি। আমরা সর্বাদাই চাই ভবিষ্যতকে সুন্দর করতে। ভবিষ্যতকে সুন্দর করার জন্য বর্তমানের উপর বেশি ফোকাস করতে হয় এবং বর্তমান সময়কে কাজে লাগানোর জন্য ক্যারিয়ার টিপস(Career Tips) জেনে রাখা ভালো। যদি কেউ বর্তমানকে সঠিক ভাবে ব্যবহার না করে এবং অলসতায় জীবন পার করে আর সঠিক স্থানে নিজের সময় ব্যয় না করে তবে তার ভবিষ্যত অন্ধকার হয়ে পরে এবং তার পুরো জীবন কাটে হতাশায় আর গ্লানীতে। আমাদের জীবন তথা বর্তমান ও ভবিষ্যতকে সুন্দর করার জন্য আমাদের দরকার টাকা। আর টাকা উপার্যন করা বর্তমান সময়ে খুবই কঠিন কাজ। তাই আজ আমরা দেখবো এমন কিছু স্কিল বা কাজ যেটার উপর দক্ষতা অর্জন করলে আমরা আমাদের ভবিষ্যতকে সুন্দর করে তুলতে পারব। তো চলুন দেখা নেয়া যাক। ব্লক চেইন এক্সপার্ট হতে পারেনঃ বিষয়টি অনেকের কাছেই হয়ত নতুন কিন্তু এই ব্লক চেইন পদ্ধতিটা রপ্ত করতে পারলে ভবিষ্যতে আপনার জবের জন্য চিন্তা করতে হবে না। যদিও ব্লক চেইন শিখানোর মত কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান পাওয়া মুসকীল কিন্তু যদি কোন ভাবে ব্লক চেইন এক্সপার্ট হতে পারেন তবে দেশে এবং দেশের বাহিরে আপনি অনেক আকর্ষনীয় বেতনে জব পাবেন। ভিডিও ইডিটিং এক্সপার্টঃ শুনতে খারাপ বা হাসি পেলেও এটা সত্যি যে একজন দক্ষ ভিডিও ইডিটরের চাহিদা ভীষণ পরিমানে। যেহেতু এটা ডিজিটাল যুগ আর প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের যাবতীয় কার্যক্রম অনলাইনে করে থাকে। তাই সঠিক ভাবে তাদের ব্যবসার এক্সপ্লেইন এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কে গ্রাহদের ধারনা দিতে তারা অবশ্যই একজন দক্ষ ভিডিও ইডিটর কে হায়ার করবে। তাই যদি আপনি একজন দক্ষ ভিডিও ইডিটর হতে পারেন তবে নির্দিধান অনেক ভালো স্যালারীর জব আপনার ম্যানেজ করা কোন কঠিন ব্যাপারে হবে না। সাইবার সিকিউরিটি স্পেশিয়ালিষ্টঃ নিজেদের তথ্য এবং নিজের যাবতীয় জরুরী ইনফরমেশন হ্যাকার বা স্পামারদের থেকে রক্ষা করতে আমরা কত কি না করি। কিন্তু তবুও হ্যাকাররা আমাদের জরুরী তথ্য হাতিয়ে নিয়ে আমাদের ক্ষতির মুখোমুখি। সব কিছুই এখন অনলাইনে হয়ে থাকে। আপনার ফেসবুক থেকে শুরু করে শপিং সব কিছুই অনলাইনের মাধ্যমে করা হয়। এখানে অনেক ইনফো সেভ থাকা বা প্রোটেকটেড থাকে। এসব কিছুর সিকিউর করাও একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ। ভবিষ্যতে অনেক বড় বড় কোম্পানি নিজেদের তথ্য এবং ট্রানজেকশনাল প্রোটেকশনের জন্য সাইবার সিকিউরিটি নিয়োগ দিবে। তাই এখন থেকে নিজেকে একজন দক্ষ সাইবার সিকিউরিটি হিসাবে তৈরি করার জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ আপনাকে নিতে হবে যদি একজন সাইবার সিকিউরিটি স্পেশিয়ালিষ্ট হতে চান। প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শিখুনঃ একজন দক্ষ্য প্রোগ্রামারের ডিমান্ড দিনকে দিন বৃদ্ধি পেয়েই চলেছে। ভবিষ্যতে এই ডিমান্ড আরো বৃদ্ধি পাবে। তাই আপনার কাছে যদি সময় আর প্রবল ইচ্ছা থাকে তবে যে কোন একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ়ে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে পারেন। জাভা, সি প্লাস প্লাস, পাইথন। যে কোন একটি। তবে আমি পরামর্শ দিব তুলনা মুলক সহজ কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে শুরু করতে। যাতে আপনার আগ্রহ বজায় থাকে। আর কোর্সটি সম্পূর্ন শেষ করতে পারেন। মাঝ পথেই অনেকে শিখা ছেড়ে দেয়। এমনটি যাতে না হয় তাই তুলনামূলক সহজ কোন ল্যাঙ্গুয়েজ পছন্দ করে শিখতে পারেন। গ্রাফিক্স স্পেশিয়ালিষ্টঃ গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের ডিমান্ড সর্বদা বেশি ছিলো এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। গ্রাফিক্স ডিজাইন কি আমরা সবাই জানি। শুধু একটা লগো তৈরি করা বা কভার পেজ তৈরি করার মধ্যেই এটা সীমাবদ্ধ না। আপনাকে বিস্তারিত এবং ক্রিয়েটিভ গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হবে। নিজের ক্রিয়েটিভি কাজে লাগিয়ে নিত্য নতুন আইডিয়া জেনারেট করতে হবে গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে। যাই শিখুন সেটা শিখার মত শিখুন। ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে পারেনঃ ডিজিটাল যুগে একজন ডিজিটাল মার্কেটারের গুরুত্ত কতটুকু সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। মোটামুটি সকল কোম্পানির এবং প্রতিষ্ঠান নিজেদের ব্যবসা প্রসার এবং প্রচারের জন্য ডিজিটাল মিডিয়া আর প্লাটফর্ম ব্যবহার করে থাকে। আরি এই ডিজিটাল প্লাটফর্মে কিভাবে, কোন উপায়ে কাজ করতে হবে সেটা একজন ডিজিটাল মার্কেটার ভালো জানে। যদি খুব কম ব্যক্তিই রয়েছে যারা ডিজিটাল মার্কেটিং এ এক্সপার্ট। এই সেক্টরটির ব্যপকতা অনেক বিশাল। ধীরে ধীরে সবাই এই সেক্টরে মনোনিবেশ করছে। তাই যদি একজন দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটার হতে পারেন। তবে সত্যি বলতে অন্য বাকি সবার থেকে জব সেক্টরে আপনার ডিমান্ড বেশি থাকবে। কনসালটেন্ট হতে পারেনঃ বর্তমানে অনেক মানুষই সম্পর্ক জনিত সমস্যায় ভুগছে। সবার জীবনেই কোন না কোন সমস্যা আছে। আমরা সবাই কিছু না কিছু নিয়ে ফ্রাস্ট্রটেড। বাহির দেশে সব বিষয়ের উপরেই কনসালটেন্ট আছে। আইন বিশেষজ্ঞ, রিলেশনশীপ কন্সালটেন্ট কি নেই। তাই আপনার যে বিষয়ে আগ্রহ সেই বিষয়ের উপর কোন কোর্স করে বা শিক্ষা নিয়ে হয়ে যেতে পারেন একজন কনসালটেন্ট। বাংলাদেশে যদি বিষয় গুলো নতুন। কিন্তু দিন দিন আমরা আধুনিক হচ্ছি। ১০ বছর আগে যেটা ভাবা যেত না সেটা এখন হচ্ছে। তেমনই আগামী ১০ বছরে এমন অনেক কিছুই সৃষ্টি হবে যা আমরা এখন চিন্তা বা অনুমান করতে পারছি না। আর সত্যি বলতে কি পেশাটি খুবই ইন্টারেশটিং। খুব এঞ্জয় করবেন যদি আপনি কোন বিষয়ে কনসালটেন্ট হতে পারেন। একাউন্টটেন্টঃ একজন হিসাবরক্ষকের দরকারিতা আমরা সবাই জানি। কিন্তু ধীরে ধীরে সব কিছুইর সফটওয়্যার বেজড হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের একাউন্টটেন্ট বেজড সফটওয়্যার তৈরি হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় হিসাব রাখার জন্য। এক্সেলের যুগ ধীরে ধীরে চলে যাচ্ছে। তাই আপনি যদি সকল হেকাউন্টটেড রিলেটেড সফটওয়্যার চালানোতে দক্ষ হতে পারেন। তবে নিশ্চিত রুপে ভালো কোথাও আপনার জব হবে বা ফ্রীল্যান্সার হিসাবেও অনেক উপার্যন করতে পারেন। SEO স্পেশিয়ালিষ্টঃ যদিও এটা ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি অংশ তবুও আমার মতে SEO ব্যপ্তি অনেক বড়। একজন SEO স্পেশিয়ালিষ্ট অনেক ডিমান্ডেবল হয়। SEO মানে এ নয় যে শুধু ব্যাকলিং পোষ্ট করবে আর সোস্যাল মিডিয়াতে পোষ্ট করবে। অনেক ধরনের ট্রিক্স, ইনোভেশন, আর সময়ের সাথে সাথে নিজেকে আপডেট করতে হয়। তাই ধীরে ধীরে নিজেকে একজন এস ই ও স্পেশিয়ালিষ্ট হিসাবে তৈরি করার জন্য আপনাকে অনেক পরিশ্রম আর প্রস্তুতি নিতে হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজিং এর মত চ্যালেঞ্জিং আর উপার্যন করার সেক্টর খুবই কম আছে। তাই এই বিষয়টিও আপনি মাথায় রাখতে পারেন। আমাদের কর্ম নির্ধারন করবে আমরা কিভাবে থাকব। সুখে আন কষ্টে। তবে একটা জিনিষ আমি ট্রাস্ট করি অর্থ ছাড়া জীবনে সুখে থাকা অসম্ভব। আর অর্থ উপার্যনের জন্য আপনাকে বুদ্ধিমান হতে হবে আর প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে। পরিশ্রম গাধাও করে এবং সিংহর চেয়ে বেশি করে কিন্তু দিন শেষে সিংহই কিন্তু বনের রাজা। তাই পরিশ্রম করুন তবে সেটা বুদ্ধি খাটিয়ে এবং সিস্টেমেটিক ওয়েতে। তাহলে সফলতা অবশ্যই আসবে।

ক্যারিয়ার টিপস (Career Tips): যা আপনাকে ভবিষ্যতে চাকরি পেতে সহায়তা করবে।

 

আমরা সবাই বর্তমানে থাকা অবস্থায় ভবিষ্যত নিয়ে ভাবি। আমরা সর্বাদাই চাই ভবিষ্যতকে সুন্দর করতে। ভবিষ্যতকে সুন্দর করার জন্য বর্তমানের উপর বেশি ফোকাস করতে হয় এবং বর্তমান সময়কে কাজে লাগানোর জন্য ক্যারিয়ার টিপস(Career Tips) জেনে রাখা ভালো।

যদি কেউ বর্তমানকে সঠিক ভাবে ব্যবহার না করে এবং অলসতায় জীবন পার করে আর সঠিক স্থানে নিজের সময় ব্যয় না করে তবে তার  ভবিষ্যত অন্ধকার হয় এবং তার পুরো জীবন কাটে হতাশায় আর গ্লানীতে।

আমাদের জীবন তথা বর্তমান ও ভবিষ্যতকে সুন্দর করার জন্য আমাদের দরকার টাকা। আর টাকা উপার্জন করা বর্তমান সময়ে খুবই কঠিন কাজ। তাই আজ আমরা দেখবো এমন কিছু ক্যারিয়ারর স্কিল বা ক্যারিয়ার টিপস (Career Tips) যেটার উপর দক্ষতা অর্জন করলে আমরা আমাদের ভবিষ্যতকে সুন্দর করে তুলতে পারব। তো চলুন দেখা নেয়া যাক।

ব্লক চেইন(Block Chain) এক্সপার্ট হতে পারেনঃ

বিষয়টি অনেকের কাছেই হয়ত নতুন কিন্তু এই ব্লক চেইন পদ্ধতিটা রপ্ত করতে পারলে ভবিষ্যতে আপনার জবের জন্য চিন্তা করতে হবে না। যদিও ব্লক চেইন শিখানোর মত কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান পাওয়া মুসকিল কিন্তু যদি কোন ভাবে ব্লক চেইন এক্সপার্ট হতে পারেন তবে দেশে এবং দেশের বাহিরে আপনি অনেক আকর্ষনীয় বেতনে জব পাবেন।

ভিডিও ইডিটিং(Video Editing) এক্সপার্টঃ

একজন দক্ষ ভিডিও ইডিটরের চাহিদা অনেক বেশি। যেহেতু এটা ডিজিটাল যুগ আর প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের যাবতীয় কার্যক্রম অনলাইনে করে থাকে। তাই সঠিক ভাবে তাদের ব্যবসার এক্সপ্লেইন এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কে গ্রাহদের ধারনা দিতে তারা অবশ্যই একজন দক্ষ ভিডিও ইডিটর কে হায়ার করবে। তাই যদি আপনি একজন দক্ষ ভিডিও ইডিটর হতে পারেন তবে নির্দিধান অনেক ভালো স্যালারীর জব আপনার ম্যানেজ করা কোন কঠিন ব্যাপারে হবে না।

সাইবার সিকিউরিটি(Cyber Security) স্পেশিয়ালিষ্টঃ

নিজেদের তথ্য এবং নিজের যাবতীয় জরুরী ইনফরমেশন হ্যাকার বা স্পামারদের থেকে রক্ষা করতে আমরা কত কি না করি। কিন্তু তবুও হ্যাকাররা আমাদের জরুরী তথ্য হাতিয়ে নিয়ে আমাদের ক্ষতির মুখোমুখি করে। সব কিছুই এখন অনলাইনে হয়ে থাকে। আপনার ফেসবুক থেকে শুরু করে শপিং সব কিছুই অনলাইনের মাধ্যমে করা হয়। এখানে অনেক ইনফো সেভ বা প্রোটেকটেড থাকে। এসব কিছুর সিকিউর করাও একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ। ভবিষ্যতে অনেক বড় বড় কোম্পানি নিজেদের তথ্য এবং ট্রানজেকশনাল প্রোটেকশনের জন্য সাইবার সিকিউরিটি নিয়োগ দিবে। তাই এখন থেকে নিজেকে একজন দক্ষ সাইবার সিকিউরিটি হিসাবে তৈরি করার জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ আপনাকে নিতে হবে যদি একজন সাইবার সিকিউরিটি স্পেশিয়ালিষ্ট হতে চান।

প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ(Programming Language) শিখুনঃ

একজন দক্ষ্য প্রোগ্রামারের ডিমান্ড দিনকে দিন বৃদ্ধি পেয়েই চলেছে। ভবিষ্যতে এই ডিমান্ড আরো বৃদ্ধি পাবে। তাই আপনার কাছে যদি সময় আর প্রবল ইচ্ছা থাকে তবে যে কোন একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ়ে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে পারেন। জাভা, সি প্লাস প্লাস, পাইথন। যে কোন একটি। তবে আমি পরামর্শ দিব তুলনামূলক সহজ কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে শুরু করতে। যাতে আপনার আগ্রহ বজায় থাকে। আর কোর্সটি সম্পূর্ন শেষ করতে পারেন। মাঝ পথেই অনেকে শিখা ছেড়ে দেয়। এমনটি যাতে না হয় তাই তুলনামূলক সহজ কোন ল্যাঙ্গুয়েজ পছন্দ করে শিখতে পারেন।

গ্রাফিক্স(Graphics) স্পেশিয়ালিষ্টঃ

গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের ডিমান্ড সর্বদা বেশি ছিলো এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। গ্রাফিক্স ডিজাইন কি আমরা সবাই জানি। শুধু একটা লগো তৈরি করা বা কভার পেজ তৈরি করার মধ্যেই এটা সীমাবদ্ধ না। আপনাকে বিস্তারিত এবং ক্রিয়েটিভ গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হবে। নিজের ক্রিয়েটিভি কাজে লাগিয়ে নিত্য নতুন আইডিয়া জেনারেট করতে হবে গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে। যাই শিখুন সেটা শিখার মত শিখুন।

ডিজিটাল মার্কেটিং(Digital Marketing) শিখতে পারেনঃ

ডিজিটাল যুগে একজন ডিজিটাল মার্কেটারের গুরুত্ত কতটুকু সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। মোটামুটি সকল কোম্পানির এবং প্রতিষ্ঠান নিজেদের ব্যবসা প্রচার এবং প্রসারের জন্য ডিজিটাল মিডিয়া আর প্লাটফর্ম ব্যবহার করে থাকে। আর এই ডিজিটাল প্লাটফর্মে কিভাবে, কোন উপায়ে কাজ করতে হবে সেটা একজন ডিজিটাল মার্কেটার ভালো জানে। যদি খুব কম ব্যক্তিই রয়েছে যারা ডিজিটাল মার্কেটিং এ এক্সপার্ট। এই সেক্টরটির ব্যপকতা অনেক বিশাল। ধীরে ধীরে সবাই এই সেক্টরে মনোনিবেশ করছে। তাই যদি একজন দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটার হতে পারেন। তবে সত্যি বলতে অন্য বাকি সবার থেকে জব সেক্টরে আপনার ডিমান্ড বেশি থাকবে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর বেশ কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে একাউন্ট খুলে কাজ খুজে নিতে পারবেন। তার মধ্যে কিছু সেরা সাইট গুলো হলঃ Upwork , Freelancer, Fiverr, ইত্যাদি।

কনসালটেন্ট(Consultant) হতে পারেনঃ

বর্তমানে অনেক মানুষই সম্পর্ক জনিত সমস্যায় ভুগছে। সবার জীবনেই কোন না কোন সমস্যা আছে। আমরা সবাই কিছু না কিছু নিয়ে ফ্রাস্ট্রটেড। বাহির দেশে সব বিষয়ের উপরেই কনসালটেন্ট আছে। আইন বিশেষজ্ঞ, রিলেশনশীপ কন্সালটেন্ট  কি নেই। তাই আপনার যে বিষয়ে আগ্রহ সেই বিষয়ের উপর কোন কোর্স করে বা শিক্ষা নিয়ে হয়ে যেতে পারেন একজন কনসালটেন্ট। বাংলাদেশে যদি বিষয় গুলো নতুন। কিন্তু দিন দিন আমরা আধুনিক হচ্ছি। ১০ বছর আগে যেটা ভাবা যেত না সেটা এখন হচ্ছে। তেমনই আগামী ১০ বছরে এমন অনেক কিছুই সৃষ্টি হবে যা আমরা এখন চিন্তা বা অনুমান করতে পারছি না। আর সত্যি বলতে কি পেশাটি খুবই ইন্টারেস্টিং। খুব এঞ্জয় করবেন যদি আপনি কোন বিষয়ে কনসালটেন্ট হতে পারেন।

একাউন্টটেন্ট(Accountant)

একজন হিসাবরক্ষকের দরকারিতা আমরা সবাই জানি। কিন্তু ধীরে ধীরে সব কিছুইর সফটওয়্যার বেজড হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের একাউন্টটেন্ট বেজড সফটওয়্যার তৈরি হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় হিসাব রাখার জন্য। এক্সেলের যুগ ধীরে ধীরে চলে যাচ্ছে। তাই আপনি যদি সকল একাউন্টটেন্ট রিলেটেড সফটওয়্যার চালানোতে দক্ষ হতে পারেন। তবে নিশ্চিত রুপে ভালো কোথাও আপনার জব হবে বা ফ্রীল্যান্সার হিসাবেও অনেক উপার্জন করতে পারবেন।

এসইও(SEO) স্পেশিয়ালিষ্টঃ

যদিও এটা ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি অংশ তবুও আমার মতে SEO ব্যপ্তি অনেক বড়।  একজন SEO স্পেশিয়ালিষ্ট অনেক  ডিমান্ডেবল হয়। SEO মানে এই নয় যে শুধু ব্যাকলিং পোষ্ট করবে আর সোস্যাল মিডিয়াতে পোষ্ট করবে। অনেক ধরনের ট্রিক্স, ইনোভেশন, আর সময়ের সাথে সাথে নিজেকে আপডেট করতে হয়। তাই ধীরে ধীরে নিজেকে একজন এস ই ও স্পেশিয়ালিষ্ট হিসাবে তৈরি করার জন্য আপনাকে অনেক পরিশ্রম আর প্রস্তুতি নিতে হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজিং এর মত চ্যালেঞ্জিং আর উপার্জন করার সেক্টর খুবই কম আছে। তাই এই বিষয়টিও আপনি মাথায় রাখতে পারেন।

আমাদের কর্ম নির্ধারন করবে আমরা কিভাবে থাকব। সুখে নাকি কষ্টে। তবে একটা জিনিস আমি ট্রাস্ট করি অর্থ ছাড়া জীবনে সুখে থাকা অসম্ভব। আর অর্থ উপার্জনের জন্য আপনাকে বুদ্ধিমান হতে হবে আর প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে। পরিশ্রম গাধাও করে এবং সিংহর চেয়ে বেশি করে কিন্তু দিন শেষে সিংহই কিন্তু বনের রাজা। তাই পরিশ্রম করুন তবে সেটা বুদ্ধি খাটিয়ে এবং সিস্টেমেটিক ওয়েতে। তাহলে সফলতা অবশ্যই  আসবে।

ফ্রীল্যান্সিং এর ১৫ টি টপ ওয়েবসাইট-(Freelancing Websites Bangladesh)

অনলাইন আয়ের সেরা ১০ টি উপায়-(Online Income Tips Bangla)

যেভাবে নিজেকে আরো যোগ্য করে তুলবেন চাকরির জন্য

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here