অনলাইন আয়ের সেরা ১০ টি উপায়-(Online Income Tips Bangla)

0
67
Online Income

অনলাইন ইনকামঃ অনলাইন আয়ের সেরা ১০ টি উপায়।।

যেখানে বর্তমান যুগ অনলাইনের যুগ সেখানে অনলাইন ইনকামের (Online Income) কথা ভাবা যেতেই পারে। তাই না?? তার আগে জেনে নিতে হবে অনলাইন আয় (Online Income) আসলে কি? কম্পিউটার বা মোবাইল এবং ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে মেধা, শ্রম এবং সময়কে কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জন কেই অনলাইন আয় (Online Income) বলা হয়।

যে কেউ অনলাইন থেকে আয় করতে পারবে, হোক সে স্টুডেন্ট, গৃহিণী বা চাকরিজীবি তার যদি কম্পিউটার এবং থাকে ইন্টারনেট সংযোগ তাহলে সেও পারবে অনলাইন থেকে আয় করে নিতে।

ডিজিটাল যুগে অনলাইনেই যেন পুরোটা বিশ্ব বন্দী। সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা কত না সময় অপচয় করি। কিন্তু এই সময় গুলো কাজে লাগিয়ে যদি অনলাইন থেকেই পকেটে টাকা আসে তবে মন্দ কি!

অনলাইনে আয়ের সেরা ১০ টি উপায়ঃ

অনলাইনে ইনকাম (Online Income) অনেক ভাবে করা যায়। এরমধ্যে ভাল খারাপ ও আছে। এই লেখায় আমরা সেরা ১০ টি অনলাইন ইনকামের উপায় নিয়ে আলোচনা করবো। যেগুলো থেকে আপনি নিশ্চিন্তে আয় করতে পারবেন।

১। ফ্রীল্যান্সিং(Freelancing) করে আয়ঃ

আয়তনে ক্ষুদ্র এই বাংলাদেশকে বিশ্বের দ্বারে রিপ্রেজেন্ট করে প্রতি নিয়ত রেমিট্যান্স আনছে ফ্রীল্যান্সারগন। অনলাইনে বর্তমানে এই পদ্ধতিতে সব থেকে বেশি আয় করা যায়। তাই ফ্রীল্যান্সিং শিখে আপনিও অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

আপনি ফ্রীল্যান্সিং সরকারি/বেসরকারি বা নিজস্ব চেষ্টায় শিখতে পারেন। বাংলাদেশের সরকার বেকারত্ব লাঘবের জন্য ফ্রীল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। এই সকল প্রজেক্টের মাধ্যমে শিক্ষিত বেকার যুবকদের হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এরফলে প্রশিক্ষণের সময়ের মধ্যেই অর্থ উপার্জন করা শিখানো হয়।

সরকারি ব্যবস্থা ছাড়াও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার হস্তক্ষেপে কোর্স চালু করা হয়। সেগুলোর মাধ্যমে ফ্রীল্যান্সিং শিখতে পারবেন। এছাড়াও আপনার যদি অদম্য ইচ্ছা শক্তি থাকে তবে (YouTube) ইউটিউব থেকে ভিডিও দেখে শিখতে পারবেন। ইউটিউবে অসংখ্য ভিডিও আছে ফ্রীল্যান্সিং এর।

ফ্রীল্যান্সিং সেক্টরটি অনেকটা বিস্তৃত। কয়েকটি বিষয় নিয়ে ফ্রীল্যান্সিং হয়। তার মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপিং, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি।  আপনার আগ্রহ অনুযায়ী যাই যে কোনো একটি শিখে ফ্রীল্যান্সিং করতে পারবেন।

ফ্রীল্যান্সিং এর বেশ কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে একাউন্ট খুলে কাজ খুজে নিতে পারবেন। তার মধ্যে কিছু সেরা সাইট গুলো হলঃ Upwork , Freelancer, Fiverr, Behance, Toptal, 99 Design, PeoplePerHour ইত্যাদি। এখানে আপনার কাজ করার আপনার যে ইমপ্লয়ার (employer)  তার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা নেই। আপনি আপনার ঘরে বসেই কাজ করতে পারবেন। এখানে আপনার ক্লায়েন্ট হবে বিভিন্ন দেশের এবং সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হতে থাকবে।

যদিও ফ্রীল্যান্সিং এর জন্য প্রথম অবস্থায় আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে এবং লেগে থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে কোনো কাজ ই অসম্ভব না। তাই অধ্যাবসায় সহকারে চেষ্টা করতে হবে। দক্ষতা এবং কৌশলের বিনিময়ে আপনিও ফ্রীল্যান্সার হতে পারবেন। এবং সেই সাথে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

Freelancing

২। ব্লগিং(Blogging) করে আয়ঃ

ব্লগ হচ্ছে একটি ডাইরির মত, যেখানে আপনি আপনার মনের ভাষা গুলো প্রকাশ করতে পারবেন। এককথায় যেখানে আপনি লেখালেখি করতে পারবেন সেটি ই ব্লগ। যারা এই লেখালেখি বা ব্লগের কাজ করে থাকেন তাদেরকে ব্লগার বলা হয়। ব্লগিং করেও আয় করা সম্ভব।

ব্লগিং এর জন্য প্রয়োজন কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা স্মার্টফোন। তথাপি কম্পিউটার বা ল্যাপটপে সহজে ব্লগিং করা যায়। এর সাথে অবশ্যই লাগবে ইন্টারনেট এবং আপনার ইচ্ছাশক্তি।

আপনার যে বিষয়ে আগ্রহ, জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা বেশি সেই বিষয়ে ব্লগিং করলে তা সব থেকে বেশি কার্যকর হবে। তাই আপনি যেই বিষয়ে পারদর্শী সেই বিষয় নিয়ে কাজ করতে পারেন। যেমন, রান্না, ভ্রমণ, খেলাধুলা, আইন, জীবনী, টেকনোলজি ইত্যাদি। উদাহরণ স্বরূপ টেকনোলজির ক্ষেত্রে নতুন নতুন টেকনোলজি এবং এদের ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত লিখতে পারেন।

ব্লগিং করার জন্য সব থেকে ভালো হয় ব্লগ সাইট নিজে বানিয়ে নেওয়া। ফ্রী বা পেইড দুই ভাবেই আপনি সাইট বানাতে পারেন। কিছু টাকা খরচ করে ডোমেইন কিনে হোস্টিং ঠিক করে একটি সাইট তৈরি করে তারপর লেখালেখি করতে পারবেন।

আপনার যদি ডিজিটাল মার্কেটিং জানা থাকে তাহলে আপনি খুব সহজেই আপনার ব্লগে ভিজিটঅর বাড়াতে পারবেন। যার উপর নির্ভর করবে আপনার ইনকাম। তবে আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তবে সহজেই আপনি ভিজিটর পাবেন।

Blogging

৩। ইউটিউবিং(YouTube) করে আয়ঃ

ইউটিউব মূলত গুগলের। প্রতিদিন সারাবিশ্বে প্রায় ৬০০ কোটি ইউটিউব ভিডিও মানুষ দেখে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী একজন  ভিউয়ারে ইউটিউব দেখার গড় সময়কাল ৪০ মিনিট। শুধু মাত্র ভিডিও বানালেই কিন্তু ইনকরা যাবে না। এর জন্য চাই সঠিক পদ্ধতি।

ইউটিউব থেকে আয়ের প্রধান উৎস বিজ্ঞাপন। আপনি আপনার ভিডিও এর শুরুতে, মাঝামাঝি তে বা যেকোনো যায়গার বিজ্ঞাপন দাতাদের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন। এছাড়াও চ্যানেল মেম্বারশিপ, পন্য বিক্রয়, ইউটিউব প্রিমিয়ার ইত্যাদির মাধ্যমে আয় করতে যায়।

ইউটিউবিং এর জন্য আপনার যে একটি ক্যামেরাই লাগবে তা কিন্তু নয়। প্রথম দিকে মোবাইল দিয়ে ভিডিও করেই শুরু করতে পারেন আপনার ইউটিউব যাত্রা। তবে প্রফেশনাল ভাবে কাজ করার জন্য অবশ্যই ভিডিও এবং অডিও এডিটিং উন্নত হওয়া প্রয়োজন। ইউটিউবিং এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনার কন্টেন্ট আকর্ষণীয় হয়ে হবে।

ইউটিউবিং এর জন্য ইউটিউব এ আপনাকে একাউন্ট খুলে তারপর ভিডিও upload দিতে হবে। তারপর এক হাজার সাবস্ক্রাইব হলে এবং ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম হলে আপনি মনিটাইজেশন পাবেন। এরপর আপনার ভিডিওতে বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক হলেই আয় করতে পারবেন।

বাংলাদেশে অনেকেই এখন ইউটিউবিং কে পেশা হিসেবে নিয়েছেন। এদের কারো কারো মাসিক ইনকাম ৪০-৫০ লক্ষ টাকা। তাই আপনিও আপনার চেষ্টা আর পরিশ্রম দ্বারা ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন।

YouTube

৪। অ্যাফিলিয়েট(Affiliate) মার্কেটিং করে ইনকামঃ

অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে লাভজনক পদ্ধতিগুলোর মধ্যে অন্যতম হল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে মাসে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করাও সম্ভব।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য আগে জানতে হবে এটি আসলে কি? অনলাইনে অন্যের প্রোডাক্ট বিক্রি করে কমিশন পাওয়ার মাধ্যমে ইনকাম করাকেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলে। বর্তমানে অনলাইন নির্ভর জীবনযাপনে অনলাইন শপিং অনেক বেড়েছে। যার কারনে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইনে ইনকামের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রতিটি কোম্পানির বেশ কিছু পন্য বা সেবা থাকে। আপনি তাদের পন্য নিয়ে মার্কেটিং করে কমিশন পেতে পারবেন। আপনাকে প্রতিটি প্রোডাক্ট এর জন্য আলাদা লিংক দেওয়া হবে। যখন আপনার লিংক এ ক্লিক করে কেউ সেই পন্যটি কিনবে তখন উক্ত পন্যেত জন্য আপনি কমিশন পাবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য আপনাকে আগে এটি শিখতে হবে। তারপর আপনার প্রয়োজন হবে ভালো মানের ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেল। বিভিন্নভাবে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন। সঠিক কোম্পানির সঠিক পন্য নির্বাচন করে আপনার ওয়েবসাইট বা ইউটিউবে মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।

Affiliate Marketing

৫। ভিডিও(Video) দেখে অনলাইন আয়ঃ

কি ভাবচ্ছেন ভিডিও দেখে কিভাবে আয় করা যাবে?! ভিডিও দেখলে তো শুধু আপনার এমবি ই খরচ হয় তাই না?? কিন্তু আপনি ভিডিও দেখেও অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন। বর্তমানে এমন কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আপনাকে প্রতিদিন ভিডিও দেখার জন্য পেমেন্ট করা হবে।

তবে এক্ষেত্রে প্রতারক হতে সাবধান থাকতে হবে। অনলাইন ভিডিও দেখে অনলাইন ইনকাম করার মত ভূয়া সাইট রয়েছে। এরা ভিডিও দেখা হলেও পেমেন্ট করবে না। তাই প্রতারণা হতে রক্ষার জন্য সতর্ক থাকতে হবে।

অনলাইনে ভিডিও দেখে ইনকামের জন্য বেশ কিছু সাইট রয়েছে যেমন: Swagbucks, Inboxdollar, Successbux ইত্যাদি। এই সকল সাইট থেকে ভিডিও দেখে অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন।

৬। অনলাইন রিসেলিং(Online Reselling) করে আয়ঃ

ব্যবসায় করার জন্য আপনার পুজি না থাকতেই পারে। সেক্ষেত্রে আপনি রিসেলিং করতে পারেন। অর্থাৎ অন্যের পন্য দিয়ে ব্যবসা করতে পারেন।

রিসেলিং হলো এমন পদ্ধতি যেখানে আপনি wholesaler বা manufacturer থেকে প্রোডাক্ট কিনে সেগুলো লাভ সহকারে বিক্রয় করা। এক্ষেত্রে রিসেলিং কোম্পানিতে আপনাকে একাউন্ট খুলতে হবে। তারপর এখান থেকে পন্যের বিবরণ এবং ছবি নিয়ে আপনি নিজের পেইজে বিক্রয় করতে পারবেন।

এখন অনলাইনে রিসেলিং এর জন্য অনেক apps রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি প্রোডাক্ট রিসেলিং করতে পারবেন। রিসেলিং করার জন্য কিছু এ্যাপস হচ্ছে Meeso, Glowroad, Shop 101, Milmia, Hiboss, Cartlay  ইত্যাদি।

রিসেলিং এর জন্য জনপ্রিয় সোশ্যাল সাইট যেমন ফেইসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ব্লগ সাইট এ গ্রাহক খুঁজতে হবে। রিসেলিং এর জন্য আপনাকে পন্য বিক্রয় করার জন্য নিজের কোনো পন্য লাগবে না। পন্য কালেক্ট থেকে যাবতীয় সব কাজ রিসেলার কোম্পানি করে দিবে।

Online Reselling

৭। গ্রাফিক্স ডিজাইন(Graphics Design) করে আয়ঃ

গ্রাফিক্স ডিজাইন অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে ইনকাম করার একটি অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। বিভিন্ন গ্রাফিক্স ডিজাইনরা মার্কেটপ্লেসে গ্রাফিক্স ডিজাইন করে প্রতিমাসে ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ২ লক্ষ টাকা এবং তার ও বেশি ইনকাম করে।

বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনের ভ্যালু আকাশচুম্বী। গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে ঘরে বসে অনায়সেই আয় করা যায়। গ্রাফিক্স ডিজাইন ভালো করে শিখলে এর কাজের কোনো অভাব হয়না। আপনি যদি একজন ভালো মানের গ্রাফিক্স ডিজাইনার হন তাহলে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রোডাক্ট এর ডিজাইন করানোর জন্য আপনাকে পার্মানেন্ট চাকরি দিয়ে দিবে।

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে আপনি বিভিন্ন ডিজাইনার যেমনঃ logo Designer, web Designer, brand identify designer হয়ে কাজ করতে পারবেন। যারা গ্রাফিক্স ডিজাইনে দক্ষ হয় তারা বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে তাদের ডিজাইন দিয়ে রাখেন। সেখানে ক্রেতাদের পছন্দ হলে ডিজাইনগুলো কিনে নেয়। অনলাইনে এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আপনি ঘরে বসেই ডিজাইন বিক্রয় করতে পারবেন। তার জন্য আপনাকে আগে গ্রাফিক্স ডিজাইনে দক্ষ হতে হবে।

Graphics Design

৮। ওয়েবসাইট(Website) বানিয়ে আয়ঃ

একটি ভাল ওয়েবসাইটের দাম লাখ টাকার উপরে হয়ে থাকে। আপনি চাইলে এমন ওয়েবসাইট বানিয়ে ইনকাম করতে পারেন। এর জন্য প্রয়োজন পরিশ্রম। এখন ওয়েবসাইট বানানো অনেকটাই সহজ।

ওয়েবসাইট থেকে ইনকামের জন্য আগে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট বিষয় ঠিক করে নিতে হবে যেটি নিয়ে আপনি ওয়েবসাইটে কাজ করবেন। তারপর ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে উন্নত মানের কপিরাইট ফ্রী কন্টেন্ট দিতে হবে। এরপর আপনি এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং টাকা ইনকাম করতে পারবেন। শুধু adsense ই নয়, আপনি affiliates বা sponsor এর মাধ্যমে অর্থ ইনকাম করতে পারবেন।

এছাড়াও আপনার ওয়েবসাইটটি যদি ভাল মানের হয় তাহলে ওয়েবসাইট বিক্রয় করে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করা সম্ভব। আপনার হাতে যদি ক্লায়েন্ট থাকে তবে আপনি নতুন সাইট ও বিক্রয় করে ইনকাম করতে পারবেন।

Website

৯। ছবি বিক্রয়(Sell Photos Online) করে আয়ঃ

আমরা সবাই কম বেশি মোবাইল বা ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলি। সখের বসে তোলা সেই ছবি বিক্রয় করে যদি অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় তবে কেমন হয় বলেন তো!! হ্যা, আপনার তোলা ছবি বিক্র‍য় করে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে বিভিন্ন আকর্ষণীয় ছবি তুলতে হবে। সেটা আপনি মোবাইল বা ক্যামেরা দিয়ে তুলতে পারেন। এরপর এই সকল ছবি র(Row) ফাইল বা এডিট ফাইল বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আপলোড করে সেখান থেকে প্রতিটি ছবির জন্য অর্থ ইনকাম করতে পারবেন। অনলাইনে ছবি বিক্রির জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন। তার মধ্যে sutterstock, 500px, Envato ইত্যাদি খুব ই জনপ্রিয় এবং ফটোগ্রাফারদের সব থেকে বেশি পে করে থাকে।

যতদিন আপনি উন্নত ও আকর্ষণীয় ছবি তুলতে পারবেন এবং আপনার তোলা ছবিতে যদি লাইট, কালার আর ন্যাচারাল মোমেন্ট এর মিশ্রণ থাকে ততদিন আপনি ভাল পরিমানে টাকা আয় করতে পারবেন।

Sell Photos Online

১০। অনলাইনে পড়িয়ে(Online Teacher) আয়ঃ

অনলাইনের যুগে সব কিছু ই অনলাইনে করা সম্ভব হয়ে যাচ্ছে। এখন বাসা বাড়িতে যেয়ে বা কোচিং সেন্টারে না যেয়েও অনলাইনে বসেই ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়ে ইনকাম করা যায়।

বাংলাদেশে এখন অনলাইন টিচার কনসেপ্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৫০ শতাংশ শিক্ষক ই অনলাইনে শিক্ষা প্রদান করছেন। তাই আপনি চাইলে ঘরে বসেই অনলাইনে পড়িয়ে অর্থ ইনকাম করতে পারবেন।

শেষ কথাঃ অনলাইন ইনকাম এখন একটি প্রচলিত বিষয় যা কিনা ঘরে বসেই কর্মসংস্থান সৃষ্টির অন্যতম মাধ্যম। আমাদের দেশে ফ্রীল্যান্সার থেকে শুরু করে হাজার হাজার মানুষ অনলাইন ইনকামের সাথে জড়িত।  এর মাধ্যমে তারা সচ্ছল হয়েছে, দূর করেছে নিজের বেকারত্ব। বাংলাদেশে অনলাইন ইনকামের জন্য বেশ কিছু ভাল ভাল সাইট রয়েছে যা থেকে আয় করা সম্ভব।

অনলাইনে নিজের মূল্যবান সময় শুধু শুধু নষ্ট না করে এই সময় টা কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জন করাই শ্রেয়। নিজের ইচ্ছা, জ্ঞান আর সময়ের মাধ্যমে অনলাইনে ইনকাম করে বেকারত্ব লাঘব করা যাবে অনায়াসে।

Freelancing Bangla Artical-ফ্রীল্যান্সিং কি এবং কিভাবে শুরু করবেন

LinkedIn কি? LinkedIn কেন ব্যবহার করবেন।

ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি( Interview Tips Bangla) এবং ২৫টি কার্যকরী টিপস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here