fbpx
ডাটা এন্ট্রি কি

ডাটা এন্ট্রি কি ? কিভাবে ডাটা এন্ট্রি কাজ করে টাকা ইনকাম করা যায়?

Spread the love

Last Updated on January 23, 2022 by Engineers Mirror

ইন্টারনেটের সহজলভ্যতায় ডাটা এন্ট্রি যেন কর্মস্থানের দুয়ার উন্মোচন করেছে। স্বল্প দক্ষতায় অর্থ উপার্জন করার উপায় গুলোর শীর্ষে রয়েছে ডাটা এন্ট্রি। এই কাজ শুরু করার আগে অবশ্যই জেনে নিতে হবে ডাটা এন্ট্রি কি ?

ডাটা এন্ট্রি কাজের জন্য কম্পিউটার জ্ঞান আবশ্যক। ডাটা এন্ট্রি পার্ট টাইম বা ফুল টাইম দুই ভাবেই করা যায়। তাই স্টুডেন্ট থেকে অবসর প্রাপ্ত সবাই এই কাজ করতে পারেন।

ঘরে বসে টাকা ইনকাম করার মাধ্যম গুলোর মধ্যে অন্যতম উপায় হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি। ডাটা এন্ট্রি অফলাইন বা অনলাইন দুই ধরনের ই হতে পারে।

ডাটা এন্ট্রির কাজ শিখে তথ্য নির্ভর প্রতিষ্ঠানের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হতে পারবেন সহজেই। এছাড়াও ঘরে বসে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন ভিত্তিক কাজ করে অর্থ উপার্জন সম্ভব।

সূচী:

১.ডাটা এন্ট্রি কি?
২.ডাটা এন্ট্রির কত প্রকার?
৩.ডাটা এন্ট্রির কাজ কিভাবে শুরু করবেন ?
অফলাইন ডাটা এন্ট্রি
অনলাইন ডাটা এন্ট্রি
৪.ডাটা এন্ট্রি কাজ করতে কি কি দরকার হয়?
৫.মোবাইল দিয়ে ডাটা এন্ট্রি করে আয় করা যায়?
৬.কীভাবে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হওয়া যায়?
৭.ডাটা  এন্ট্রি কাজ কোথায় পাবেন?
.ডাটা এন্ট্রি কাজের কিছু যোগ্যতা

৯.ফ্রিল্যান্সিং কাজে ডাটা এন্ট্রি
১০.Data এন্ট্রি কাজের সীমাবদ্ধতা

১.ডাটা এন্ট্রি কি ( what is data entry )?

 

ডাটা মানে তথ্য, আর এন্ট্রি মানে লিপিবদ্ধ বা সংরক্ষণ করা। সুতরাং ডাটা এন্ট্রি হচ্ছে কোন তথ্য লিপিবদ্ধ করা বা সংরক্ষন করা।

সহজ ভাবে বলা যায় অফলাইনের ডাটা গুলো অনলাইনে প্রতিস্থাপন করাই ডাটা এন্ট্রি।

মূলত, ডাটা এন্ট্রি হচ্ছে ডাটা গুলোকে কিছু সফটওয়্যার এর সাহায্যে কম্পিউটারে আপডেট করা।

অর্থাৎ কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট ডিভাইস যেমন কিবোর্ড, স্ক্যানার, ডিস্ক বা ভয়েসের সাহায্যে কোন একটি প্রোগ্রাম থেকে অন্য একটি প্রোগ্রামে তথ্যের প্রতিলিপিকরণ ই ডাটা এন্ট্রি।

২.ডাটা এন্ট্রির কত প্রকার ( How many types of data entry) ?

বর্তমান তথ্য নির্ভর যুগে প্রায় সব কাজ ই কম্পিউটারে করা হয়, যার ফলে দিনে দিনে ডাটা এন্ট্রির কাজের পরিধি বাড়ছে। ডাটা এন্ট্রি বিভিন্ন ধরনের হয় যেমন, মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ডাটা এন্ট্রি,  কোনো ডকুমেন্টের বানান চেকিং, জব পোস্টিং, ট্রান্সলেশন ইত্যাদি।

চলুন ডাটা এন্ট্রির প্রকারভেদ সম্পর্কে কিছু ধারনা নেওয়া যাক,

মাইক্রোসফট এক্সেলে ডাটা লিপিবদ্ধ (MS-excel data entry)ঃ বিশেষ করে যেকোনো কোম্পানির ক্ষেত্রে তার ক্রয়-বিক্রয়ের হিসাবসহ আনুষঙ্গিক ডাটা বা তথ্যসমূহকে মাইক্রোসফট এক্সেল সফটওয়্যার এর মাধ্যমে digital database তৈরি করা হয়।

মাইক্রোসফট এক্সেল ব্যবহার ডাটা এন্ট্রির কাজ অনেক সহজে করা যায়। MS-excel ছাড়াও   MS- word, Word pad, note pad ইত্যাদি সফটওয়্যারসমূহ ব্যবহার করা হয়।

জব ওয়েবসাইটে জব পোস্টিং(Job posting) ঃ
বিভিন্ন ধরনের জব ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে প্রতিদিন নতুন নতুন জব(job) পাবলিশ করতে হয়।

এটাও একধরনের ডাটা এন্ট্রি। প্রতিদিন অনেক জব পাবলিশ করতে হয় বিধায় এইসব প্রতিষ্ঠানে ডাটা অপারেটর নিয়োগ দেওয়া হয় যারা কিনা চাকরির নিয়োগ গুলো সংগ্রহ করে সেগুলো আর্টিকেলসহ লিপিবদ্ধ করে।

ডাটা কনভার্সন(Data conversion)
Data Conversion বা ডাটা রুপান্তর হচ্ছে ডাটার  ফরমেট পরিবর্তন করা। যেমন, পিডিএফ ফাইলকে ওয়ার্ড ফাইলে পরিবর্তন বা ওয়ার্ড ফাইলকে পিডিএফ এ পরিবর্তন করা।

এভাবে একটি ফাইলকে অন্য একটি ফাইলে রুপান্তর করা ই ডাটা কনভার্সন যা কিনা একজন ডাটা অপারেটর ডাটা এন্ট্রির মাধ্যমে করেন।

ট্রান্সলেশন (Translation)
জনপ্রিয় ডাটা এন্ট্রির মধ্য রয়েছে ট্রান্সলেশন এর কাজ। এই ধরনের কাজে ভয়েস বা অডিও ফাইল থেকে টেক্সট এ টাইপ করে রুপান্তর করা হয়।

এছাড়াও এই কাজে একভাষার ডাটা গুলোকে অন্য ভাষায় পরিবর্তন করা হয়। অন্য ভাষায় লেখা বই বা যেকোনো আর্টিকেল অনুবাদ করে কম্পিউটারে লিপিবদ্ধ করাই ডাটা ট্রান্সলেশন।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে, বিভিন্ন অন্যান্য ভাষায় থাকা ভয়েস ফাইল গুলোকে বদলে লোকাল ভাষাতে পরিণত করা হয়।

শুধু মাত্র অন্য ভাষায় ট্রান্সলেশন ই নয় হার্ড কপি হিসেবে থাকা বই বা টেক্সট ফাইল গুলোকে সফ্ট কপিতে নেয়ার জন্যেও ডাটা এন্ট্রির প্রয়োজন হয়।

ডাটাবেস ৈরি(Database creation) ঃ

বিভিন্ন উৎস থেকে ডাটা সংগ্রহ করে সেগুলো ডিজিটাল লিপিবদ্ধ করে ডাটাবেস তৈরি করা হয়।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায় আদমশুমারীর জন্য কোনো একটি দেশ, গ্রাম বা শহরে মোট কতটা পরিবার রয়েছে, কতজন বাচ্চা এবং বৃদ্ধ ব্যক্তি কয়জন ইত্যাদি ডাটা কালেক্ট করে সেগুলো ডিজিটাল নথিভুক্ত করা হয়।

বানান চেক (Spelling checking):
স্পেলিং চেকিং কাজে বিভিন্ন গল্প, বই, আর্টিকেলসহ টেক্সট কন্টেন্টের বানান যাচাই করা হয় এবং ভুল থাকলে সংশোধন করা হয়। এটি মূলত লেখার মধ্যে ভুল থাকলে সেগুলো খুঁজে বের করতে হয়।

পেপার ডকুমেন্টশন (Paper documentation):
ডাটা এন্ট্রি কাজ গুলোর মধ্যে সহজ একটি কাজ হচ্ছে পেপার ডকুমেন্টশন। এই কাজে আপনাকে হার্ড কপি থেকে সফট কপি তৈরি করতে হবে।
অর্থাৎ আপনাক্ব কিছু তথ্যবহুল কাগজ দেওয়া হবে এবং সেখানের ডাটা গুলো কম্পিউটারর টাইপ করতে হবে। এই কাজের জন্য মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, ওয়ার্ডপ্যাড ইত্যাদি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।

৩.ডাটা এন্ট্রির কাজ কিভাবে শুরু করবেন ?

ডাটা এন্ট্রির কাজ অনলাইন এবং অফলাইন দুইভাবে করা যায়। এই দুটো মাধ্যম সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

অনলাইন ডাটা এন্ট্রি (Online data entry) এবং অফলাইন ডাটা এন্ট্রি (Offline data entry)

কাজে দক্ষতা প্রমাণ করতে পারলে এই দুই ভাবেই টাকা ইনকাম করা যায়।

অনলাইন ডাটা এন্ট্রি (Online data entry)
বর্তমানে অফলাইন ডাটা এন্ট্রির তুলনায় অনলাইন ডাটা এন্ট্রি চাহিদা এবং সুযোগ দুটোই বেড়েছে। ঘরে বসে সহজেই করা যায় এই কাজ।

অনলাইন ডাটা এন্ট্রি কাজ আপনি আপনার ফুলটাইম জবের পাশাপাশি পার্টটাইম জব হিসেবে করতে পারবেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্লার্টফর্ম যেমন, fiverr, freelancer, micro workers, guru এর মাধ্যমে কাজ খুঁজে পাবেন।
এই সকল সাইটে কাজ পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একাউন্ট খুলতে হবে। তারপর আপনাকে কাজ খুঁজে নিতে হবে।

অফলাইন ডাটা এন্ট্রি (Offline data entry)
সশরীরে যেয়ে কাজ করা কে মূলত অফলাইন ডাটা এন্ট্রি বুঝায়। অফলাইনে ডাটা এন্ট্রির কাজের জন্য যেসকল ডিভাইস প্রয়োজন হয় সেগুলো কোম্পানি দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে নিজের কম্পিউটার না থাকলেও অসুবিধা হয় না।

এই কাজ করার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যেয়ে কাজ করতে হয়। এক্ষেত্রে আপনি পার্টটাইম বা ফুলটাইম দুইরকম কর্মীই হতে পারবেন।

৪.ডাটা এন্ট্রি কাজ করতে কি কি দরকার হয়?

ডাটা এন্ট্রি কাজের জন্য আপনার বড় বড় ডিগ্রির প্রয়োজন নেই। আপনার কম্পিউটার নলেজ এবং কম্পিউটারে টাইপিং দক্ষতা ই ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়ার হাতিয়ার।

যদিও কোম্পানিতে ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের চাকরির জন্য একাডেমিক ডিগ্রির প্রয়োজন রয়েছে।

এই কাজে যত দ্রুত টাইপ করা তত বেশি ইনকাম করা যাবে। মূলত টাইপিং স্পিডের উপর ই এর ইনকামের সংখ্যা নির্ভর করে।

তবে ডাটা এন্ট্রির কাজ অনলাইনে হরহামেশাই করা যায়। ডাটা এন্ট্রি কাজ গুলো বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে পেতে পারেন।

অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি কাজের জন্য প্রয়োজন কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট সংযোগ। এই কাজ পাওয়ার জন্য কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করা জানতে হবে।

অফলাইনে ডাটা এন্ট্রি কাজের জন্য নিজস্ব কম্পিউটার বা ইন্টারনেট না হলেও চলে। কোম্পানি ডিভাইস গুলো দিয়ে থাকে। তবে এক্ষেত্রে কাজ পাওয়ার জন্য দক্ষতার প্রমাণ দিতে হয়।

৫.মোবাইল দিয়ে ডাটা এন্ট্রি করে আয় করা যায়?

শুধু কি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থাকলেই ডাটা এন্ট্রি করা যায়? আপনার একটি স্মার্টফোন থাকলেও আপনি ডাটা এন্ট্রি করতে পারবেন।

বর্তমানে বেশ কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আপনি মোবাইল দিয়ে ডাটা এন্ট্রি করতে পারবেন। এই ওয়েবসাইট গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে 2 Captcha এর জন্য আপনাকে প্লে স্টোর থেকে 2captcha bot নামক এ্যাপ টি আপনার মোবাইলে ডাউনলোড করে নিতে হবে।

2captcha ছাড়াও আরো কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোতে মোবাইল দিয়ে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। তার জন্য প্রয়োজন একটি এন্ড্রয়েড ফোন এবং ইন্টারনেট সংযোগ।

৬.কীভাবে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হওয়া যায়?

যিনি ডাটা এন্ট্রির কাজ করেন তাকে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর বলা হয়। ডাটা এন্ট্রি কাজ করার জন্য বা ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হওয়ার জন্য কিছু যোগ্যতার প্রয়োজন হয়।

ডাটা এন্ট্রি হওয়ার জন্য কম্পিউটার চালানো জানতে হবে সেই সাথে টাইপিং স্পিড ভালো থাকতে হবে।

এরসাথে প্রয়োজন কিছু শিক্ষাগত জ্ঞান। ডাটা এন্ট্রি কাজের জন্য জানতে হবে কম্পিউটারের বেসিক সফটওয়্যার যেমন মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে, এক্সেল, নোটপ্যাডের ব্যবহার।

এর সাথে প্রয়োজন নিজস্ব কম্পিউটার, ইন্টারনেট সংযোগ আর নিজের ইচ্ছাশক্তি।

৭.ডাটা  এন্ট্রি কাজ কোথায় পাবেন?

ডাটা এন্ট্রি সম্পর্কে এত কিছু জেনেও একটা প্রশ্ন যেন মনে রয়েই যায়। ডাটা এন্ট্রির কাজ কোথায় পাব? তাই না?

অফলাইনে বিভিন্ন কোম্পানি গুলোতে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে চাকরি করতে পারবে। সেখানে পন্যের ক্রয়-বিক্রয় লিপিবদ্ধ,  ভাউচার লিপিবদ্ধ, স্টকের হিসাব সহ অন্যান্য ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে হয়।

অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি কাজের জন্য ডাটা এন্ট্রি কাজের ওয়েবসাইটগুলোতে নিজের পোর্টফলিও বানিয়ে কাজ খুঁজে নিতে হবে। এক্ষেত্রে বিদেশের ক্লায়েন্টের নিকট থেকে কাজ নিতে হয়।

ডাটা এন্ট্রি ওয়েবসাইট গুলো মধ্যে জনপ্রিয় সাইট গুলো – Fiverr, Freelancer, Upwork, Guru, Microworker.

 

৮.ডাটা এন্ট্রি কাজের কিছু যোগ্যতা

একজন দক্ষতাসম্পূর্ণ ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হওয়ার জন্য কিছু যোগ্যতা থাকতে হবে।

যে কেউ চাইলেই ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হতে পারবে না যদি না তার কিছু দক্ষতা বা যোগ্যতা না থাকে।

কম্পিউটার জ্ঞান (computer skill): এই কাজের জন্য সর্বপ্রথম যে যোগ্যতা থাকতে হবে সেটি হল কম্পিউটার জ্ঞান।

Data entry operator হওয়ার জন্য নির্ভুল ভাবে দ্রুত টাইপিং জানতে হবে। অন্যথায় ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হওয়া যাবে না।

টাইপিং স্কিল(Typing Skill): ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হওয়ার জন্য টাইপিং স্পিড ভালো থাকতে হবে এবং ডাটা এন্ট্রি নির্ভুল হতে হবে।

এই কাজ মূলত ডাটা টাইপ করা তাই এই কাজে স্পিড থাকতে হবে। যাথে স্বল্প সময়ে বেশি টাইপ করা যায় বা এন্ট্রি করা যায়।

ভাষাগত দক্ষতা (language skill): সাধারণত ডাটা এন্ট্রির কাজ ইংরেজি ভাষায় হয়ে থাকে।

তাই ইংরেজি ভাষাজ্ঞান থাকা প্রয়োজন।  এছাড়া অন্যান্য ভাষা কাজের জন্য জানতে হতে পারে।

বেসিক সফটওয়্যার ব্যবহার(Basic software Knowledge): ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হওয়ার জন্য কিছু বেসিক সফটওয়্যার ব্যবহার জানতে হবে।

Microsoft Word, Microsoft Excel, Word ইত্যাদি basic computer program গুলোর বিষয়ে জ্ঞান রাখতে হবে।  কেননা ডাটা এন্ট্রি কাজ গুলো সাধারণত এই সফটওয়্যার গুলো দিয়ে করতে হয়।

 

৯.ফ্রিল্যান্সিং কাজে ডাটা এন্ট্রি

ফ্রীল্যান্সিং পেশায় সহজতম কাজ গুলোর একটি হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি। কম দক্ষতা দিয়েও যে কাজটি অনায়ুকরতে পারবেন।
ফ্রীল্যান্সিং এর কাজের জন্য যে সকল ওয়েব সাইট রয়েছে

যেমন- fiverr, freelancer, upwork, guru ইত্যাদি তে ডাটা এন্ট্রির কাজ পাওয়া যায়।

এই সকল সাইট গুলোতে নিজস্ব দক্ষতার পোর্টফলিও তৈরি করে কাজ পাওয়ার চেষ্টা করতে হয়। তবে যেহেতু এই সেক্টরের কাজ সহজ তাই এর প্রতিযোগিতাও একটু কঠিন।

অর্থাৎ শুরু দিকে হয়তো কাজ পাবেন না। কিন্তু ধৈর্য নিয়ে চেষ্টা চালালে অবশ্যই কাজ পাওয়া সম্ভব।

১০.Data এন্ট্রি কাজের সীমাবদ্ধতা

অনলাইন বা অফলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজতম মাধ্যম ডাটা এন্ট্রি ( Data Entry) কাজ হলেও এই কাজে কিছু অসুবিধা ও আছে।

এই কাজের ডিমান্ড বেশি হওয়ায় প্রথমেই কাজ পাওয়া একটু ধৈর্যের পরীক্ষা বৈকি!!

জেনে নিন ডাটা এন্ট্রির অসুবিধাগুলো যাতে আগে থেকেই সেই অনুযায়ী সমাধান করতে পারেন।

১. এই কাজে চাহিদা বেশি তাই এই কাজ পাওয়া একটু কঠিন। তবে ধৈর্য ধরে লেগে থাকলে এই কাজ পাওয়া যায়।
২. ডাটা এন্ট্রির কাজ কিছু একঘেয়েমি, সময়সাপেক্ষ তাই অনেকেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।

৩. ডাটা এন্ট্রির কাজে প্রাথমিক ভাবে মেধা বা দক্ষতার ব্যবহার খুব বেশি নেই।
৪. অনলাইন ডাটা এন্ট্রির জন্য ইন্টারনেট স্পীড ভালো থাকা বাঞ্চনীয়। তা না হলে ডাটা এন্ট্রির কাজ এগোনো কঠিন।
৫. অনেক Data Entry কাজের জন্য টীম প্রয়োজন হয়।
৬. ডাটা এন্ট্রির কাজগুলো খুবই মনোযোগসহ করতে হয় যেন কাজ নির্ভুল হয়।

 

অযথা সময় নষ্ট না করে ডাটা এন্ট্রি কাজের মাধ্যমে সহজে টাকা ইনকাম করতে পারেন।

পার্টটাইম বা ফুলটাইম আপনার সুবিধা মত এই কাজকে পেশা হিসেবে নিতে পারবেন।

স্টুডেন্ট থেকে শুরু করে অবসর প্রাপ্ত, সকল ধরনের বয়সে ডাটা এন্ট্রি করা সম্ভব।

 

ফ্রীল্যান্সিং এর ১৫ টি টপ ওয়েবসাইট-(Freelancing Websites Bangladesh)

ফ্রীল্যান্সিং কি এবং কিভাবে শুরু করবেন (What is Freelancing?)

 

Leave a Comment

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!