ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি এবং ২৫টি কার্যকরী টিপস

ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি ও টিপস।

0
208
ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি যেভাবে নিবেন এবং ইন্টারভিউয়ের ২৫টি কার্যকরী টিপস।
ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি যেভাবে নিবেন এবং ইন্টারভিউয়ের ২৫টি কার্যকরী টিপস।

ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি( Interview Tips Bangla) যেভাবে নিবেন এবং ২৫টি কার্যকরী টিপস।

বলা হয়ে থাকে চাকরি প্রাপ্তির অন্তিম ধাপ ইন্টারভিউ। তাই ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি( Interview Tips Bangla) হওয়া চাই সব থেকে সেরা। কাংখিত চাকরি পাওয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। আর এর জন্য চাই ইন্টারভিউ সম্পর্কে ধারনা। চলুন দেখা যাক একটি ফলপ্রসূ ইন্টারভিউয়ের জন্য কি কি বিষয় জানতে হবে।

১.প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানের পন্য বা সেবা সম্পর্কে ধারনাঃ
প্রথমেই যে প্রতিষ্ঠানে ইন্টারভিউ দিবেন সেটির সম্পর্কে যথার্থ ধারণা নিতে হবে। তাদের পন্য বা সেবা সম্পর্কে রিসার্চ করে নিতে হবে। প্রতিষ্ঠানের ধরন, তাদের পন্যের বাজার অবস্থা, প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়, আর্থিক অবস্থা, তাদের প্রতিযোগির ধরন, কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ সম্পর্কে রিসার্চ করে ধারণা নিতে হবে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট, ফেইসবুক,লিংকডইন প্রফাইল দেখে ধারণা নিতে হবে।

প্রতিষ্ঠানটি পন্য ভিত্তিক হলে উক্ত পন্য ব্যবহার করতে হবে,তাদের কোনো ব্লগ থাকলে সেটি পড়তে হবে কিংবা প্রতিষ্ঠানটি কোনো রেস্টুরেন্ট হলে তাদের খাবার খেয়ে ধারণা নিতে হবে।
সর্বপরি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে কেননা নিয়োগকারী প্রত্যাশা করে কর্মী তাদের ব্যবসা এবং ব্যবসায়ের লক্ষ্য সম্পর্কে জানুক।

২.আবেদনকৃত পদ বা চাকরি সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবেঃ
আবেদনকৃত পদ বা চাকরির ডেস্ক্রিপশন পড়ে নিতে হবে। এছাড়াও চাকরির বেতন কেমন হতে পারে,চাকরির পোস্টিং কোথায় হতে পারে, ওয়ার্কিং টাইম ইত্যাদি জেনে নিতে হবে। এগুলো জানার ভালো মাধ্যম হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ঘেটে নেওয়া। ওয়েবসাইট এবং সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল থেকে উক্ত তথ্যসমূহ পাওয়া যাবে।

৩.আবেদনকৃত চাকরির রেসপনসেবলিটি ভালো করে পড়তে হবেঃ
যে চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিবেন সেই চাকরির নিয়োগপত্রে উল্লেখিত চাকরির রেসপনসেবলিটি বা দায়িত্বসমূহ ভালোভাবে পড়ে নিতে হবে। এতে চাকরি সম্পর্কে ভালো ধারণা নেওয়া যাবে। সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী চাকরি সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন করলে উত্তর দেওয়া সহজ হবে।

৪.নিজস্ব প্রশ্ন তৈরি করে রাখতে হবেঃ
ইন্টারভিউ মানেই যে শুধু নিয়োগকর্তা প্রশ্ন করবেন তা কিন্তু নয়। চাকরি প্রার্থীরও প্রশ্ন করার সুযোগ রয়েছে, তবে সেগুলো অবশ্যই প্রাসঙ্গিক হতে হবে। তাই ইন্টারভিউয়ের আগে নিজের কিছু প্রশ্ন তৈরি করে নিতে পারেন। যেসব প্রশ্নের মাধ্যমে আপনি কাজ সম্পর্কে জানতে পারবেন।
ইন্টারভিউতে যখন সাক্ষাৎকারগ্রহনকারী আপনাকে প্রশ্ন করবে ‘আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?’ এর উত্তর হিসেবে ‘না’ না দিয়ে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞেস করবেন।

৫.সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী সম্পর্কে ধারণাঃ
ইন্টারভিউয়ে নিয়োগকর্তা বা সাক্ষাৎকার গ্রহনকারীর সম্পর্কে যতটুকু সম্ভব জেনে নিবেন। তিনি কি পছন্দ বা অপছন্দ করেন, তার লাইফ স্টাইল, ব্যক্তিত্ব, ক্যারিয়ার ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা নিয়ে রাখলে তিনি কি ধরণের প্রশ্ন করতে পারেন তার অনুমান করা সম্ভব।

৬.ইন্টারভিউ পূর্ব অনুশীলনঃ
কথায় আছে – প্র্যাকটিস মেকস আ ম্যান পারফেক্ট – যার অর্থ অনুশীলনই একজন মানুষকে ত্রুটিহীন করে তোলে ।

ইন্টারভিউ সম্পর্কে জড়তা দূর করে আত্নবিশ্বাসী হয়ে উঠার লক্ষ্যে চূড়ান্ত ইন্টারভিউয়ের পূর্বে অনুশীলন করা যেতে পারে। নিজের কাছের মানুষের সাথে, বন্ধুবান্ধব কিংবা পরিবারের কাছে মক টেস্ট দিয়ে নিজের আত্নবিশ্বাস বাড়াতে হবে। এর ফলে সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীর সম্মূখে সাচ্ছন্দ্য কথা বলা যাবে।

৭.নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল গুলো চেক করে নিতে হবেঃ
ব্যক্তিত্ব যাচাইয়ের অন্যতম মাধ্যম সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল। তাই ইন্টারভিউয়ের আগে আপনার সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল গুলো চেক করুন এবং প্রোফেশনাল ভাবে সাজান।

৮. প্রচলিত টেকনোলজি সম্পর্কে জ্ঞান রাখতে হবেঃ
বলা হয়ে থাকে বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ। তাই প্রচলিত টেকনোলজি সম্পর্কে অজ্ঞতা থাকলে ইন্টারভিউতে টিকে থাকা দুষ্কর। কম্পিউটার, ইন্টারনেট, প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ব্যবহার, এবং প্রচলিত টেকনোলজি ব্যবহার জানতে হবে। যার ফলে আপনি ইন্টারভিউতে এক ধাপ এগিয়ে থাকতে পারবেন

৯.পোশাক নির্বাচনে সতর্কতাঃ
ইন্টারভিউয়ের পোশাক হতে হবে পরিষ্কার এবং পরিপাটি। পোশাকের মাধ্যমে ব্যক্তিত্ব প্রকাশ পায় তাই পোশাক নির্বাচনে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
আপনার অমার্জিত পোশাক দেখে ইন্টারভিউয়ার ন্যানো সেকেন্ডে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে পারেন। তাই ইন্টারভিউতে অবশ্যই ফর্মাল পোশাক পড়তে হবে।
খালি চোখে আরাম লাগে এমন পোশাক পড়ুন।নিয়োগ বিশেষজ্ঞরা এ ব্যাপারে সাদা রঙকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। রঙিন, জবড়জং পোশাকের চেয়ে হালকা রঙের পোশাক পরাই ভালো।

১০.প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ফাইলবন্দি করতে হবেঃ
ইন্টারভিউ দেওয়ার আগের দিন আপনার দরকারি কাগজ পত্র ফাইলবন্দি করে নিবেন। বিশেষ করে সার্টিফিকেট, সিভি, ছবি, অভিজ্ঞতার নমুনা ও দরকারি ডকুমেন্টস সাথে নিবেন।

১১.সময় সতর্কতাঃ
একজন কর্মীর সময় জ্ঞান থাকা বাধ্যতামূলক। তাই কাংখিত চাকরি পাওয়ার লক্ষ্যে আপনাকে সময় সম্পর্কে সতর্ক হতে হবে।
ইন্টারভিউয়ে কোনো ভাবেই দেরি করে উপস্থিত হওয়া যাবে না। প্রয়োজনে আগের দিন এলার্ম দিয়ে রাখতে হবে। যথা সময়ে ইন্টারভিউ সম্পন্ন করতে সচেষ্ট থাকতে হবে।

ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি যেভাবে নিবেন এবং ইন্টারভিউয়ের ২৫টি কার্যকরী টিপস।

১২.অতিরিক্ত এবং অপ্রয়োজনীয় কথা বর্জন করতে হবেঃ
মনে রাখতে হবে কোনো কিছুরই অতিরিক্ত ভালো নয়। তাই প্রশ্ন কর্তার উত্তর দিতে হতে সতর্কতার সহিত। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কথা না বলাই শ্রেয়।

১৩.ইন্টারভিউ পূর্ব মুহূর্তে এলকোহল পরিহারঃ
আপনার যদি ধুমপান বা এলকোহল ব্যবহারের অভ্যাস থাকে তাহলে অবশ্যই ইন্টারভিউর আগে এটি পরিহার করতে হবে। সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী ইন্টারভিউ নেওয়া সময় চাকরিপ্রত্যাশীর মুখে এলকোহলের দুর্ঘন্ধ আশা করেন না। তাই এই ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে ।

১৪.পরিমিত ঘুম এবং খাবারঃ
ইন্টারভিউ এর আগের রাতে অবশ্যই পরিমিত ঘুম প্রয়োজন। অনেকেই টেনশনে ঘুমান না, যার কারনে ইন্টারভিউয়ে মনযোগ ক্ষুন্ন হতে পারে। তাই ইন্টারভিউ এর আগে পরিমিত ঘুম এবং খাবার গ্রহণ জরুরি।

১৫.নিজস্ব যোগ্যতা ও দক্ষতার বিশ্লেষণঃ
আপনি যে চাকরি বা পদের জন্য ইন্টারভিউ দিবেন সেই চাকরি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে তার সাথে নিজের যোগ্যতা ও দক্ষতা বিশ্লেষণ করে নিতে হবে। এর মাধ্যমে আপনি কতটুকু প্রস্তুত সেটি জানতে পারবেন এবং আপনার আত্নবিশ্বাস বাড়বে।

১৬. কাজের প্রতি আগ্রহ প্রকাশঃ
নিয়োগ কর্তা তার প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনের জন্য কর্মী নিয়োগ দেন। ইন্টারভিউয়ে কাজের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করতে হবে। সেই সাথে বুঝাতে হবে নিজের যোগ্যতা।

১৭. আত্নবিশ্বাসী হতে হবেঃ
নিজের প্রতি নিজের বিশ্বাস থাকা অত্যাবশ্যক। আত্নবিশ্বাস ই পারে বিজয়ের মুকুটের মূল অনুপ্রেরণা।
মুখোমুখি সাক্ষাৎকার একটি সুবর্ণ সুযোগ নিজেকে আরেকজনের কাছে তুলে ধরার। এখানে আপনি আরেকজনকে নিজের ব্যাপারে ভালো ধারণা দেবার সুযোগ পাবেন। ইন্টারভিউ দিতে যাবার আগে ভাবুন, আপনার সবচেয়ে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য কোনটি? আত্নবিশ্বাসের সাথে আপনার ব্যক্তিত্ব উপস্থাপন করুন। সেই সাথে কাজের বিষয়ে জোর দিতে ভুলবেন না।

১৮.সাধারণ কিছু ইন্টারভিউ প্রশ্ন সম্পর্কে ধারণাঃ
সকল ইন্টারভিউয়ের কিছু সাধারণ প্রশ্ন থাকে। যেমন, আপনার নামের অর্থ, আপনার পছন্দ নিয়ে প্রশ্ন, আপনার মেজর বিষয় নিয়ে প্রশ্ন ইত্যাদি। সাধারণ প্রশ্ন এবং আপনাকে যে প্রশ্নসমূহ করতে পারে সেগুলো নোট করে প্রাকটিস করে নিতে পারেন। এতে আপনার আত্নবিশ্বাস বাড়বে।
আপনি যদি বুঝতে না পারেন আপনাকে কেমন প্রশ্ন করা হবে তাহলে ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সাহায্য নিতে পারেন। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তালিকা করে সেগুলো প্রাকটিস করতে পারেন।
আপনার উত্তর গুলো থিওরির মত না দিয়ে গল্পের মত দিতে পারেন। যেমন, ‘আমি এই কাজটি পারি’ এভাবে না বলে কাজের উদাহরণ দিতে পারেন।

১৯.কথা বলার ভঙ্গি এবং অঙ্গভঙ্গি সুসংযত রাখতে হবেঃ
অনেকেই কথা বলার সময় অতিরিক্ত হাত নাড়ান এবং অনবরত পা নাড়ান যেটি আবশ্যিক পরিহার্য। ইন্টারভিউয়ে সুসংযত ভাবে কথা বলতে হবে এবং অতিরিক্ত অঙ্গভঙ্গি পরিহার করতে হবে।

২০.আশাতীত চাকরির সম্মানীর মাত্রা নির্ধারণঃ
কাংখিত চাকরির জন্য আপনার প্রত্যাশিত সম্মানী ইন্টারভিউয়ের আগেই নির্ধারণ করে নিতে হবে। যাতে ইন্টারভিউয়ে জানতে চাইলে বলতে পারেন। এবং এই সম্মানীর মাত্রা যথার্থ হতে হবে।

২১. নিজস্ব রাগ এড়িয়ে চলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবেঃ
কথায় আছে- ‘রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন’। তাই পরিস্থিতি যেমনই হোক নিজের রাগকে এবং নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ইন্টারভিউ বোর্ডকে আপানার ব্যবহার দ্বারা মুগ্ধ করার লক্ষ্য নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রাকটিস আগে থেকেই করুন।

২২.কিছু ভুল এড়িয়ে চলতে হবেঃ
ইন্টারভিউয়ে কিছু ভুল এড়িয়ে চলতে হবে। যেমন, দেরী করে ইন্টারভিউতে উপস্থিত হয়ে অহেতুক অজুহাত প্রদর্শন করা, অবান্তর প্রশ্ন করা, ঘর্মাক্ত হাতে হ্যান্ডশেক করা, টেবিলে হেলান দিয়ে বসা ইত্যাদি। এইসকল বিষয় হতে সতর্ক হতে হবে।

২৩.পরিচিতদের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবেঃ
যে কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিবেন সেখানে পরিচিত কেউ থাকলে তার সাথে যোগাযোগ রাখবেন। এর ফলে আপনি তার রেফারেন্স দিতে পারবেন এবং কোম্পানি সম্পর্কে তথ্য পেতে পারেন।

২৪.নিজের গুন সঠিক ভাবে উপস্থাপনঃ
মনে রাখতে হবে আপনার যোগ্যতা এবং গুনাবলীর মাধ্যমেই আপনি শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবেন। নিজেকে আরো ভালো ভাবে উপস্থাপন করার লক্ষ্যে নিজের গুনাবলি ব্যবহার করতে হবে। নিজস্ব বুদ্ধি এবং গুন সমূহ প্রকাশের মাধ্যমে ইন্টারভিউয়ারের নিকটে আপনার কাংখিত চাকরি বা পদবীর জন্য আপনার যোগ্যতা বুঝাতে পারবেন।

২৫.স্ট্রেস ও নার্ভাসনেস নিয়ন্ত্রণঃ
ইন্টারভিউ ভীতি আপনার আত্নবিশ্বাস নষ্ট করে দিতে পারে। অনেকই ইন্টারভিউয়ের জন্য স্ট্রেস নেন এবং ইন্টারভিউয়ের পূর্ব মুহূর্তে নার্ভাস হয়ে পরেন। যার কারনে সঠিকভাবে প্রশ্ন উত্তর দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। মনে রাখতে হবে প্রথম ইম্প্রেশন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই স্ট্রেস ও নার্ভাসনেস নিয়ন্ত্রণ করে সঠিকভাবে ইন্টারভিউ সম্পূর্ণ করতে হবে।

আপনি কেন কাজটি চান, আপনি কতটা পছন্দ করেন এ কাজ, এ কাজটি পেলে আপনি কতটা উপকৃত হবেন- এই বিষয়গুলো বারবার বলবেন। আপনার এ কথাগুলো সাক্ষাৎকার গ্রহনকারীর মতামতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

নিজের জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেচনা আর আত্নবিশ্বাসের মাধ্যমে সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী কাছে নিজেকে যোগ্য প্রমান করতে হবে। তবেই হতে পারেন আপনি সবার সেরা এবং মিলতে পারে আপনার চাকরি। আর হ্যা ইন্টারভিউ শেষে ইন্টারভিউ বোর্ড তথা সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীকে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না!!

ইন্টারভিউ বোর্ডের কমন প্রশ্ন – ৫০টি

চাকরি খোঁজার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু ওয়েবসাইট
ব্যবসা নাকি চাকরি?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here