fbpx
ব্যবসা নাকি চাকরি

ব্যবসা নাকি চাকরি?

Spread the love

Last Updated on August 4, 2021 by Engineers Mirror

ব্যবসা নাকি চাকরি

ক্যারিয়ারের শুরুতে অনেকে দ্বিধাদ্বন্দে পরে যান চাকরি করবেন নাকি ব্যবসা। চাকরি বনাম ব্যবসা, কোনটিকে বেছে নিবেন আপনি? কোনটি ভালো হবে আপনার জন্য? কোনটির মাধ্যমে আপনি পৌছাবেন সাফল্যের স্বর্নশিখরে?চলুন তাহলে আমাদের মূল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাক।

তরুন প্রজন্মের এক অংশ সিকিউরিটি বলতে চাকরি বুঝে থাকি। কিন্তু সত্যি কি চাকরির আক্ষরিক অর্থ সিকিউরিটি? মাস অন্তর নির্দিষ্ট পরিমান অর্থের বিনিময় অন্যের জন্য কাজ করাই চাকরি। যেখানে আপনি আপনার বসের সাফল্য অর্জনের জন্য কাজ করবেন। কিন্তু চাকরিতেও কিন্তু ঝুঁকি থাকে। আপনি যদি আপনার বসের চাহিদা অনুযায়ী কাজ না দিতে পারেন তবে আপনি হতে পারেন রিজেক্টেড। তাই চাকরিতে চাই আপনার কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা আর আপনার স্কিলের সঠিক ব্যবহার।অপর দিকে ব্যবসা পুরোটাই আপনার। যেখানে লাভ ও আপনার লোকসান ও আপনার! “No Risk No Gain” জী ব্যবসা মানেই ঝুঁকি। তাই আপনার যদি অধিক ঝুঁকি নেওয়ার মনোবল থাকে, আপনি যদি আপনার কাজে দৃঢ় হন, আপনার যদি পুজি থাকে তাহলে আপনিও ব্যবসায় বেছে নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপানার সঞ্চিত পুজির সঠিক ব্যবহার, পন্য সিলেকশন, বাজার সিলেকশন, ক্রেতা সিলেকশন, এই সব কিছুর সমন্বয় ঘটাতে হবে আপনার দক্ষতা এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে।

আপনার কিছু স্কিল বা দক্ষতা থাকলেই আপনি চাকরি করতে পারবেন। যার মাধ্যমে মাস শেষে পাবেন নির্দিষ্ট পরিমানের সম্মানী। পেতে পারেন প্রমোশন, বোনাস এবং ছুটি। কিন্তু আপনি যদি কাজে অবহেলা করেন তাহলে আপনি আপনার কাংখিত চাকরি থেকে ফায়ার হতে পারেন। তাই চাকরি চলে যাওয়ার চিন্তা আপনার মাথায় থাকবেই। চাকরি তে আপনার ব্যক্তি স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হবে। একটি নিয়মের মধ্যে আপনার জীবন পরিচালনা করতে হবে। আর হ্যা চাকরির কিন্তু নির্দিষ্ট বয়স সীমা রয়েছে!!

আপনার মধ্যে যদি উদ্যোক্তার গুনাবলি থাকে, আপনার যদি বিনিয়োগ করার মত অর্থ থাকে, আপানি যদি চ্যালেঞ্জ নিতে আগ্রহী হোন, আপনি যদি ঝুঁকি নিতে ভয় না পান, আপনি যদি কঠোর পরিশ্রমী এবং দৃঢ় প্রত্যয়ী হোন, আপনি যদি আপনার লক্ষে স্থির থাকেন তবে বলবো ব্যবসা আপনার জন্যই। কারন ব্যবসায় আপনি আপনার নিজের মালিক হয়ে স্বাধীন ভাবে আপনার কাজ করতে পারবেন শুধুমাত্র আপানার সাফল্য অর্জনের লক্ষে। ব্যবসায়ের মাধ্যমে আপনি যেমন আপনার নিজের কর্মসংস্থান করতে পারবেন পাশাপাশি কর্মসংস্থান সুযোগ সৃষ্টি করে আপনি অন্যের বেকারত্ব লাঘবে সাহায্য করতে পারবেন। সেই সাথে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অংশ নিতে পারবেন।

চাকরি শুধু মাত্র আপনার নিজের কর্মসংস্থান দিবে কিন্তু ব্যবসা আপনার পরিবারের কর্মসংস্থানের সুযোজ করে দিবে। চাকরি চলে যাওয়ার ভয় থাকলেও ব্যবসায়ে আপনাকে কেউ রিজেক্ট করতে পারবে না। আপনার সৃজনশীলতা দ্বারা টিকে থাকতে পারবেন ব্যবসায় জগতে। চাকরিতে আপনাকে নির্দিষ্ট ঘন্টা কাজ করতে হবে অপর দিকে ব্যবসায়ে আপনার কাজের রেখা সীমাহীন।

আলোচনার পর আপনি কি এখনো দ্বিধাদ্বন্দে আছেন? বলেছিলাম না উত্তর শুধু আপনার কাছেই!! জি পাঠক, নিজেকে প্রশ্ন করুন আপনি কোনটায় স্বাচ্ছন্দ অনুভব করছেন। মনে রাখবেন আপনি যে ক্ষেত্রেই যান না কেনো আপনার কঠোর পরিশ্রম ই পারবে আপনার সাফল্য নিয়ে আসতে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!